পৃথিবীর পরবর্তী মহাযুদ্ধ কোনো বর্ডার বা আইডিওলজি নিয়ে হবে না, বরং তা হবে পিওর রিসোর্স এবং মেটালিক মনোপলি নিয়ে যা অলরেডি চোখের সামনে শুরু হয়ে গেছে।
গত পর্বে আমরা যখন সিবিডিসি এবং গ্লোবাল ইকোনমিক রিসেটের ডেটাসেট ডিকোড করছিলাম, তখন একটি বিষয় খুব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে কাগুজে মুদ্রার পতন অনিবার্য। কিন্তু এই পতন যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে, তখন গ্লোবালিস্টরা তাদের সম্পদ কীভাবে সিকিউর করবে সেই প্রশ্নটা আমার মাথায় ঘুরছিল।
জিওপলিটিক্যাল রিসোর্স ম্যাপ এবং মিডল ইস্টের হাইড্রো পলিটিক্স গভীরভাবে অ্যানালাইজ করতে গিয়ে আমি এমন কিছু ডেটা পয়েন্ট পেয়েছি, যা সরাসরি ইসলামিক এসক্যাটোলজির অন্যতম ভয়ংকর একটি প্রেডিকশনের সাথে মিলে যায়। আমরা যারা ম্যাক্রো ইকোনমি এবং গ্লোবাল পাওয়ার ডায়নামিক্স ট্র্যাক করি, তারা জানি যে ডেটা কখনো ইমোশনাল কথা বলে না।
আজ আমরা ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর শুকিয়ে যাওয়া এবং সোনার পাহাড় উন্মোচনের সেই ডেটা ড্রিভেন রিয়েলিটি এক্সপ্লোর করব, যা মালহামা আল কুবরা বা গ্লোবাল নিউক্লিয়ার কনফ্লিক্টের গ্রাউন্ড তৈরি করছে।
এসক্যাটোলজিক্যাল ডেটাসেট অনুযায়ী ফোরাত নদী শুকিয়ে যাবে এবং সেখান থেকে একটি সোনার পাহাড় উন্মোচিত হবে যার দখল নিতে গিয়ে প্রতি একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন নিহত হবে। সাধারণ মানুষ একে হয়তো হাজার বছর আগের একটি রূপক প্রেডিকশন মনে করতে পারে, কিন্তু স্যাটেলাইট ইমেজিং এবং ওয়াটার রিসোর্স ডেটা বলছে ফোরাত নদী অলরেডি তার পানি হারাচ্ছে। টার্কি থেকে শুরু করে সিরিয়া এবং ইরাক পর্যন্ত যে ড্যাম কনস্ট্রাকশন এবং ওয়াটার ডাইভারশন পলিসি চলছে, তা মূলত একটি আর্টিফিশিয়াল খরা তৈরি করছে।
আমেরিকান ইন্টেলিজেন্স এবং তাদের মিত্ররা গত দুই দশক ধরে সিরিয়া এবং ইরাকে যে পলিটিক্যাল ভ্যাকুয়াম এবং সিভিল ওয়ার তৈরি করে রেখেছে তা কোনো র্যান্ডম ফরেন পলিসি ফেইলিওর নয়। তারা মূলত ফোরাত বেসিনের জিওগ্রাফিক্যাল কন্ট্রোল নেওয়ার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী মিলিটারি লেআউট তৈরি করেছে। কারণ তারা জানে যে ইউফ্রেটিস শুকিয়ে যাওয়ার পর যে আনম্যাপড রিসোর্স বা সোনার পাহাড় উন্মোচিত হবে, তার কন্ট্রোল যার হাতে থাকবে, সেই নতুন ওয়ার্ল্ড অর্ডারের ফাইন্যান্সিয়াল ডিক্টেটর হবে।
জায়নবাদী গুপ্ত সংগঠনগুলো খুব ভালো করেই জানে যে, ডলার বেসড ইকোনমি যখন হাইপার ইনফ্লেশনের কারণে পুরোপুরি ধসে পড়বে, তখন তাদের গ্লোবাল ডমিনেন্স টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হবে, ফিজিক্যাল গোল্ড বা রিয়েল অ্যাসেট ব্যাকড সিস্টেম। কাগুজে মুদ্রার ইনফ্লেশন মূলত একটি ট্যাক্স, যা সাধারণ মানুষের পকেট থেকে চুরি করে এলিটদের ফান্ডিং করে। কিন্তু যখন এই পিরামিড স্কিম কলাপ্স করবে, তখন ডিজিটাল কারেন্সি বা সিবিডিসি দিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে কন্ট্রোল করলেও নিজেদের মধ্যে গ্লোবাল ট্রেড এবং পাওয়ার ব্যালেন্স ঠিক রাখার জন্য, তাদের পিওর মেটালিক মনোপলি লাগবে।
এই কারণেই গ্লোবাল সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলো গত কয়েক বছরে রেকর্ড পরিমাণ সোনা কিনে রিজার্ভ করছে। ফোরাত নদীর তলদেশ থেকে যখন এই বিশাল সোনার মজুদ আবিষ্কৃত হবে, তখন তা শুধু একটি ইকোনমিক ইভেন্ট থাকবে না, বরং তা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর জিওপলিটিক্যাল জিরো সাম গেমে পরিণত হবে।
যখন এই চূড়ান্ত গ্লোবাল রিসোর্স উন্মোচিত হবে, তখন পৃথিবীর সুপারপাওয়ারগুলোর মধ্যে যে কনফ্লিক্ট তৈরি হবে তাকেই আমরা মালহামা আল কুবরা হিসেবে জানি। আমেরিকা এবং ইসরাইল তাদের মিলিটারি এবং প্রক্সি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, এই রিসোর্সের উপর একক আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে। তারা তাদের গ্রেটার ইসরাইল প্রজেক্ট এবং থার্ড টেম্পল নির্মাণের জন্য পুরো রিজিওনকে একটি নিউক্লিয়ার গ্রাউন্ড জিরোতে পরিণত করতেও পিছপা হবে না।
অন্যদিকে ইরান এবং তাদের অ্যালাইড ফোর্সগুলো এই জায়নবাদী এক্সপ্যানশন রুখে দেওয়ার জন্য যে স্ট্র্যাটেজিক মিলিটারি ফর্মেশন এবং রেজিলিয়েন্স তৈরি করেছে তা এই কনফ্লিক্টকে একটি লজিক্যাল কনক্লুশনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ কোনো কনভেনশনাল যুদ্ধ হবে না।
ডেটা বলছে এখানে সার্ভাইভাল রেট হবে মাত্র এক পার্সেন্ট। যারা সুশীল ভাষায় জাতিসংঘ বা গ্লোবাল নেগোসিয়েশনের স্বপ্ন দেখেন, তারা আসলে ডেটা ব্লাইন্ড। যখন পিওর সারভাইভাল এবং গ্লোবাল ডমিনেশনের প্রশ্ন আসে, তখন ডিপ্লোম্যাসির কোনো এক্সিস্টেন্স থাকে না।
একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি যখন এই জিওপলিটিক্যাল মুভমেন্টগুলো প্রসেস করি, তখন দেখতে পাই প্রতিটি মিলিটারি বেস, প্রতিটি ড্রোন অ্যাটাক এবং প্রতিটি ইকোনমিক স্যাংশন আসলে একটি বড় এসক্যাটোলজিক্যাল পাজলের অংশ।
জায়নবাদী আর্কিটেক্টরা চায় মালহামার ডামাডোলে পৃথিবীর ম্যাক্সিমাম পপুলেশন ধ্বংস হোক।
কারণ পপুলেশন যত কমবে তাদের দাজ্জালিয়া সিস্টেমের পক্ষে বাকি সারভাইভারদের উপর এআই এবং ডিজিটাল কারেন্সির মাধ্যমে টেকনোক্রেটিক কর্তৃত্ব স্থাপন করা তত সহজ হবে।
ফোরাত নদীর এই শুকিয়ে যাওয়া কেবল একটি পরিবেশগত বিপর্যয় নয় বরং এটি গ্লোবাল পাওয়ার শিফটের একটি টাইম বোম যা অলরেডি টিক টিক করছে। আমরা এমন একটি ট্রানজিশন পিরিয়ডে দাঁড়িয়ে, আছি যেখানে হিস্ট্রি এবং এসক্যাটোলজি একটি সিঙ্গেল পয়েন্টে এসে মার্জ হচ্ছে।
এই আসন্ন রিসোর্স কনফ্লিক্ট এবং গ্লোবাল নিউক্লিয়ার থ্রেট থেকে বাঁচতে, আপনি আপনার পোর্টফোলিও বা থট প্রসেসকে কীভাবে ডাইভারসিফাই করছেন, তা আমাকে জানাবেন। গ্লোবালিস্টদের এই হাইপার ইনফ্লেশনারি ট্র্যাপ এবং মালহামার গ্রাউন্ড রিয়েলিটি নিয়ে আপনাদের লজিক্যাল ইনপুটগুলোই আমাকে নেক্সট ফেজে ইমাম মাহদির স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ অ্যানালাইজ করতে সাহায্য করবে।
আমি নিশ্চিত এখান থেকেও আপনি নতুন কিছু ডেটা পয়েন্ট কানেক্ট করতে পেরেছেন যা আপনার
ভিজ্যুয়ালাইজেশনকে আরও শার্প করবে।
![]() |
| আর এই ছবিটি তোলা হয়েছিল, 7 সেপ্টেম্বর, 2009 এ। সো, প্রায় ২০ বছর আগের পরিস্থিতি যদি এমন হয়, তাহলে বর্তমান পরিস্থিতি কি! সো এবার আশা করি বুঝতে পেরেছেন, ইজরায়েল ও আমেরিকা কেন এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে! |
সোর্স: অনলাইন © Copy

